“হারানো চিঠি”

 একটা ছোট গ্রামে থাকত রাকিব নামের একটা ছেলে। সে খুব সাধারণ জীবন যাপন করত, কিন্তু তার একটা স্বপ্ন ছিল—একদিন সে বড় শহরে গিয়ে কাজ করবে এবং তার মায়ের কষ্ট দূর করবে।

একদিন সকালে রাকিব বাজারে গিয়ে একটা পুরনো চিঠি কুড়িয়ে পেল। চিঠিটা ভিজে গেছে, কিন্তু লেখা কিছুটা পড়া যাচ্ছিল। চিঠিটা ছিল একজন মায়ের, যিনি তার হারিয়ে যাওয়া ছেলের খোঁজ করছিলেন।

রাকিব চিঠিটা পড়ে খুব কষ্ট পেল। সে ভাবল, “এই মাকে তার ছেলে খুঁজে দেওয়া দরকার।”

সে চিঠির ঠিকানা ধরে খুঁজতে বের হলো। অনেক কষ্ট করে, অনেক গ্রাম পেরিয়ে সে এক বৃদ্ধা মায়ের বাড়িতে পৌঁছাল।

বৃদ্ধা দরজা খুলেই কেঁপে উঠলেন। কারণ রাকিবের হাতে সেই চিঠি!

তিনি কাঁদতে কাঁদতে বললেন, “তুমি কি আমার ছেলে?”

রাকিব অবাক হয়ে গেল। পরে জানা গেল, সেই মায়ের ছেলে বহু বছর আগে হারিয়ে গিয়েছিল, আর সবাই বলেছিল সে আর বেঁচে নেই।

কিন্তু রাকিব সত্যটা জানল—সে আসলে সেই মায়েরই হারিয়ে যাওয়া ছেলে, যাকে ছোটবেলায় এক দুর্ঘটনায় আলাদা করে ফেলা হয়েছিল।

মা-ছেলে দুজনেই কেঁদে ফেলল। এত বছরের কষ্ট এক মুহূর্তে আনন্দে বদলে গেল।

রাকিব বুঝল, জীবন কখনো কখনো হারিয়ে দিয়েও আবার ফিরিয়ে আনে—যদি নিয়তি থা


কে।

শেষ।

Comments